ডিম্বাশয়ের সিস্ট কী?
ডিম্বাশয়ে তরলভর্তি থলিকে সিস্ট বলে। অধিকাংশই কার্যকরী সিস্ট যা মাসিক চক্রের সাথে তৈরি হয় এবং নিজেই সেরে যায়।
ধরন
- ফলিকুলার সিস্ট: ডিম্বস্ফোটন না হলে তৈরি হয় — সাধারণত নিজেই সারে।
- কর্পাস লুটিয়াম সিস্ট: ডিম্বস্ফোটনের পরে — সাধারণত কয়েক সপ্তাহে সারে।
- এন্ডোমেট্রিওমা: এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে।
- ডার্মোয়েড সিস্ট: বিভিন্ন টিস্যু ধারণ করতে পারে।
- সাইস্টাডেনোমা: বড় হতে পারে।
লক্ষণ
- পেটের একপাশে ব্যথা বা চাপ।
- পেট ফোলা ভাব।
- ঘন ঘন প্রস্রাব।
- মাসিকের অনিয়ম।
অনেক সিস্টে কোনো লক্ষণ থাকে না।
কখন জরুরি বিভাগে যাবেন?
সিস্ট ফেটে গেলে বা পেঁচিয়ে গেলে (টর্শন) হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, বমি ও জ্বর হতে পারে — এটি জরুরি অবস্থা।
কখন চিকিৎসা লাগে?
- সিস্ট বড় (৫ সেমির বেশি)।
- লক্ষণ তীব্র।
- ক্যান্সারের আশঙ্কা।
- নিজে সারছে না।
চিকিৎসা
ছোট সিস্টে পর্যবেক্ষণ। বড় বা সমস্যাযুক্ত সিস্টে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি।
মনে রাখবেন
বেশিরভাগ ডিম্বাশয়ের সিস্ট বিনাইন এবং নিজেই সারে। নিয়মিত ফলো-আপ রাখুন।